সিরাজদিখান শেষ হলো ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন নামযজ্ঞানুষ্ঠান

লতা মন্ডল-সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব রশুনিয়া শ্রী শ্রী লক্ষী নারায়ন জিউ মন্দির প্রাঙ্গনে শেষ হলো বার্ষিক ২৪ প্রহরব্যাপী নামযজ্ঞানুষ্ঠান ও উৎসব। আজ শনিবার (০৮ নভেম্বর)সমাপনী দিনে আশ্রম চত্বরে ছিল গ্রামীণ মেলাসহ নানা আয়োজন। অনুষ্ঠানাদির মধ্যে ছিল শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ, মহানামযজ্ঞের অধিবাস কীর্তন, তারকব্রহ্ম নামসংকীর্তন, রাধাগোবিন্দের অষ্টকালীন লীলা কীর্তন, কুঞ্জভঙ্গ,জলকেলী, মহন্তের ভোগরাগ ও অপরাহ্নে প্রসাদ বিতরণ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দিন উপস্থিত ছিলেন শ্রী নিত্যানন্দ গোস্বামী,শ্রী হরিনন্দ সরকার,শ্রী সাধু চরণ গোস্বাই, পূর্ব রশুনিয়া শ্রী শ্রী লক্ষী নারায়ন জিউ মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম দেবনাথ, পূর্ব রশুনিয়া শ্রী শ্রী লক্ষী নারায়ন জিউ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদকস্বপন শ্রীল, পূর্ব রশুনিয়া শ্রী শ্রী লক্ষী নারায়ন জিউ মন্দির কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মন্ডল,এ্যাডভোকেট সমরেশ নাথ,ভরত দাস,সদন নাথ প্রমুখ।
আয়োজক কমিটির সভাপতি গৌতম দেবনাথ ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন মন্ডল বলেন, কীর্তন বাংলা সংস্কৃতি ও বাংলা সঙ্গীতের অন্যতম আদি একটি ধারা। গানের মাধ্যমে ধর্মচর্চা আর ঈশ্বকে আরাধনার প্রচলন প্রাচীনকাল থেকেই গ্রামবাংলার সর্বত্র চলে আসছে। ভগবান দুষ্টের দমনে সৃষ্টির লক্ষ্যে ধর্ম রক্ষার্থে যুগে যুগে মর্ত্যে আবির্ভূত হয়েছেন। ভগবানের আবির্ভাব কালের গুনাবলী আর লীলা নিয়ে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে (খোল, কর্তাল, বাঁশি আর হারমোনিয়াম) যে গান পরিবেশন করা হয় তাই কীর্তন। মানবজাতি অতি সহজে ঈশ্বরের সাধনা বা ঈশ্বরকে ভজন করার একটি উপায় হিসেবে এ কীর্তনের উদ্ভব। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলার বৈষ্ণবধর্মজাত সঙ্গীতধোরার বিকশিত রূপই কীর্তন। কীর্তন দুপ্রকার নামকীর্তন বা নামসংকীর্তন এবং লীলকীর্তন বা রসকীর্তন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *