এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নিম্নমানের ইট, সিমেন্ট ও বাঁশ দিয়ে ৬ তলা একটি বিল্ডিংয়ের নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। এতে মত্যুর ঝুকিতে রয়েছে প্রতিবেশীরা।
গতকাল সন্ধ্যায় সামান্য ঝড়ো বৃষ্টিতে উপজেলার শ্রীনগর বটতলা এলাকায় আল মাসুদ ভিলার নামে একটি বিল্ডিংয়ের ৫তলার সাইড ওয়াল ভেঙ্গে পড়ে প্রতিবেশী বিপ্লব মিয়ার বিল্ডিংয়ের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার অভিযোগ উঠে সৌদি প্রবাসী মাসুদসহ তার স্ত্রী ও পিতা আমানুল শেখের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মধ্যবাঘড়া এলাকার আমানুল শেখের ছেলে সৌদি প্রবাসী মাসুদ নিম্নমানে ইট,সিমেন্ট ও রডের পরিবর্তে বাঁশ নিয়ে শ্রীনগর বটতলা এলাকায় একটি ৬তলা বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ করছেন। চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়রা নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করতে নিষেধ করলেও কাজ অব্যাহত রাখেন মাসুদ। গতকাল সন্ধ্যায় সামান্য ঝড়েই বাঁশ ব্যবহার করে নির্মাণ করা জানালার রিংটন ভেঙ্গে প্রতিবেশী বিপ্লবের ছাদে পড়ে। এতে ছাদ ফেটে যায় ও পানির টাংকি এবং টিনের ঘর ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এসময় ছাদে টিনের ঘরে থাকা ভাড়াটিয়া মোক্তার পরিবারের সাতজন লোক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষায় পায়।
বিপ্লব মিয়া জানান, আমরা একাধিকবার চেয়ারম্যানসহ স্থানীয়দের নিয়ে প্রতিবেশী মাসুদ ও তার স্ত্রী সুমাইয়াকে নিম্নমানের মালামাল দিয়ে বিল্ডিংয়ের নির্মান কাজ করতে নিষেধ করেছি। কিন্তু তারা মানেনি। আজকে বাঁশ ব্যবহার করে নির্মাণ করা তাদের জালানার রিংটন ভেঙ্গে পড়ে আমার ৩ তলা ছাদের ব্যপক ক্ষতি হয় এবং অল্পের জন্য ছাদের টিনের ঘরে থাকা সাতজন ভাড়াটিয়া বেঁচে গেছে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিল্ডিংয়ের ঠিকাদার মনির ইসলাম মোল্লার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নির্মাণাধীন বিল্ডিং মালিক সৌদি প্রবাসী মাসুদের স্ত্রী সুমাইয়া বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের এই রকম মালামাল ব্যবহার করে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ করাটা ভুল হয়েছে। পরবর্তীতে আর এরকম কাজ করবো না।
