মোংলা বন্দরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সফর, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে প্রত্যাশা

ম. ম. রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট: ‎সুন্দরবন ও বন্দর পরিদর্শন শেষে ঢাকার পথে তারেক রহমান; নাব্যতা সংকট, জেটি, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে নজর
‎
‎মোংলা, ২২ অক্টোবর ২০২৬: সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা আকাশপথে পর্যবেক্ষণ শেষে বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছে সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা মোংলায় পৌঁছানোর পর তিনি ওয়ার্ডরুমে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় অংশ নেন। এরপর বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কর্মসূচি ছিল। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকেল চারটায় তাঁর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা।
‎
‎প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বন্দর সম্প্রসারণ, নৌপথের নাব্যতা সংকট দূর করা, শিল্পাঞ্চলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিদেশি বিনিয়োগ এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রত্যাশা নতুন করে সামনে এসেছে। তবে সফর-পরবর্তী কোনো প্রকল্প অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দ কিংবা বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে সফরকে ঘিরে প্রত্যাশা ও বাস্তব সিদ্ধান্তের মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি।
‎
‎সফরের সর্বশেষ কর্মসূচি
‎
‎প্রকাশিত সফরসূচি ও বৃহস্পতিবারের সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকালে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টার দিকে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। সেখান থেকে সড়কপথে লঞ্চঘাটে গিয়ে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
‎
‎দুপুর পৌনে একটার দিকে বানৌজা মোংলায় পৌঁছানোর পর মধ্যাহ্নবিরতি নেন তিনি। দুপুর পৌনে দুইটায় নৌঘাঁটির ওয়ার্ডরুমে পর্যালোচনা সভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি ছিল। বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি এবং প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের সূচি নির্ধারিত ছিল। সফর শেষে বিকেল চারটায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা এবং বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা জানানো হয়েছিল। [সূত্র: নিউজ২৪, টিএনএন এজেন্সি ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যম]
‎
‎সফরসূচিতে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ এবং মোংলা বন্দরের উন্নয়ন সম্ভাবনা পরিদর্শন—দুটি বিষয়ই গুরুত্ব পেয়েছে। তবে কর্মসূচি সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা সিদ্ধান্তের বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নতুন কোনো প্রকল্প ঘোষণার দাবি করা যাচ্ছে না।
‎
‎বন্দর উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের দাবি
‎
‎মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে নৌপথের নাব্যতা, জেটির সুবিধা, পণ্য ওঠানামা, কাস্টমস কার্যক্রম এবং সড়ক-রেল যোগাযোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
‎
‎মোংলা বন্দর বার্থ ও শিপ অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আলী বন্দরের চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং ও নাব্যতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, নৌপথের সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।
‎
‎মোংলা শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যা বাড়ানো এবং নাব্যতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। তিনি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জটিলতা কমানো এবং রামপালে বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
‎
‎অন্যদিকে, মোংলা বন্দরসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের মতে, উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মোংলা বন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বন্দরের কার্যক্রমে হয়রানি কমানো এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
‎
‎ব্যবসায়ীদের এসব দাবি বাস্তবায়নে নিয়মিত ড্রেজিং, বন্দরের সক্ষমতা মূল্যায়ন, পণ্য খালাসের সময় কমানো এবং সেবার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।
‎
‎গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি
‎
‎মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন মোংলা ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
‎
‎শিল্পকারখানায় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে ব্যবসায়ীরা জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি পণ্য পরিবহন ও বন্দরসেবার ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
‎
‎মোংলা থেকে ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দ্রুত পণ্য পরিবহনের জন্য সড়ক ও রেল যোগাযোগের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেছেন তাঁরা।
‎
‎চীনা বিনিয়োগ, সেতু ও ছয় লেনের সড়কের পরিকল্পনা
‎
‎বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি মোংলা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ এবং মোংলা-খুলনা সড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
‎
‎এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বন্দরের সঙ্গে আশপাশের শিল্পাঞ্চল ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হতে পারে। পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সুযোগও তৈরি হতে পারে।
‎
‎তবে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ, সেতু নির্মাণের সময়সীমা এবং সড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া এগুলোকে বাস্তবায়নাধীন বা অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
‎
‎প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে সম্ভাবনা
‎
‎মোংলা বন্দরের কাছাকাছি প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাস্তবায়িত হলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, পণ্য সংরক্ষণ, গুদামজাতকরণ, পরিবহন এবং সরবরাহব্যবস্থার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।
‎
‎এ ধরনের শিল্পাঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়লে বাগেরহাট, খুলনা ও আশপাশের জেলার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা, পরিবহন, আবাসন এবং অন্যান্য সেবামূলক খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
‎
‎তবে সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সংখ্যা, বিনিয়োগের পরিমাণ, জমি উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন। শুধু পরিদর্শন বা পরিকল্পনা ঘোষণার মাধ্যমে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয় না; প্রয়োজন বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা, অর্থায়ন এবং কার্যকর তদারকি।
‎
‎আকরাম পয়েন্টে এলএনজি টার্মিনালের সম্ভাবনা
‎
‎সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবনাও মোংলাকেন্দ্রিক উন্নয়ন আলোচনার একটি অংশ। এর আগে প্রকাশিত সংবাদে বড় জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি খালাসের সুবিধাসম্পন্ন টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগের কথা উঠে এসেছে।
‎
‎এ ধরনের অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হলে শিল্পাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহের সুযোগ বাড়তে পারে। তবে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায় বড় জ্বালানি অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশগত প্রভাব, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, নৌচলাচল এবং বনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিষয়গুলো বিশেষভাবে বিবেচনা করা জরুরি।
‎
‎প্রকল্পটির স্থান নির্বাচন, সম্ভাব্যতা যাচাই, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য ছাড়া একে চূড়ান্ত বা অনুমোদিত প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
‎
‎সুন্দরবন সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভারসাম্য
‎
‎প্রধানমন্ত্রীর সফরে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা পর্যবেক্ষণের বিষয়টি পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্বও সামনে এনেছে। সুন্দরবন শুধু জীববৈচিত্র্যের আধার নয়; ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও উপকূলীয় দুর্যোগের অভিঘাত কমাতেও এ বন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
‎
‎মোংলা বন্দর, শিল্পাঞ্চল ও জ্বালানি অবকাঠামোর সম্প্রসারণের সঙ্গে সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা তাই গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে নদী ও খালের প্রবাহ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বন্য প্রাণীর আবাসস্থল এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকার ওপর সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
‎
‎অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণকে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী না করে সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা গেলে দীর্ঘ মেয়াদে অঞ্চলটির উন্নয়ন অধিক টেকসই হতে পারে।
‎
‎দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা
‎
‎মোংলা বন্দর বাংলাদেশের সমুদ্রবাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, শিল্পাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নত করা গেলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
‎
‎স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে নিয়মিত ড্রেজিং, জেটি উন্নয়ন, কাস্টমস কার্যক্রম সহজ করা, সড়ক-রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার বিষয়ে অগ্রগতি চান তাঁরা।
‎
‎স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা শুধু বড় প্রকল্প ঘিরে নয়; তাঁরা চান শিল্পায়নের সুফল যেন স্থানীয় কর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র ব্যবসার প্রসার এবং জীবনযাত্রার উন্নয়নে প্রতিফলিত হয়। একই সঙ্গে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব কমিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনারও দাবি রয়েছে।
‎
‎এখন নজর সফর-পরবর্তী সিদ্ধান্তে
‎
‎প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মোংলা সফর বন্দরের উন্নয়ন ও দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে সফরের প্রকৃত ফলাফল নির্ভর করবে পরিদর্শন-পরবর্তী সিদ্ধান্ত, প্রকল্প অনুমোদন, অর্থায়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের ওপর।
‎
‎বন্দরের নাব্যতা সংকট দূর করা, অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন, শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন—এসব বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের।
‎
‎সফর ঘিরে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে; এখন সেই প্রত্যাশাকে বাস্তব উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *