মো.কামাল হোসেন, দোহার নবাবগঞ্জ ও রাজধানীর আশপাশের এলাকার মানুষের বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে দোহারের মিনি কক্সবাজার। প্রতিদিনই সেখানে ভিড় করেন অনেক মানুষ। তবে, ছুটির দিনে সেখানে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বুধবার আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবসে ভিড় ছিল আরও বেশি। এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে।
সব বয়সের মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে মিনি কক্সবাজারে। অনেকে এসেছেন সন্তানদের নিয়ে আবার অনেকে এসেছেন বন্ধু-বান্ধবদের সাথে। হেসে-খেলে সময় পার করেছেন তারা। আছে বিভিন্ন ধরনের রাইডস। শিশুদের মনোরঞ্জনের জন্য আছে বিভিন্ন আয়োজন। বিভিন্ন ধরনের খেলনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা গেছে তাদের। অনেককে নৌকায় চড়ে পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে।
মিনি কক্সবাজারে আনন্দভ্রমনে আসা সাভারের রাকিব হোসেন জানান, মিনি কক্সবাজারে এসে আমার খুব ভালো লাগছে। এখানকার পরিবেশটা খুব সুন্দর মনে হচ্ছে। আমরা প্রথমবারের মতো এখানে আসলাম সুযোগ পেলে আবার আসবো।
সাভারের আরেক দর্শনার্থী জানান, মৈনটে ঘুরতে এশে খুব ভালো লাগছে। এখানকার পদ্মার প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করেছে। আমরা প্রায় ১৫০ জন লোক এখানে ভ্রমনে আসছি। আমরা আবার আসবো।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা দলে দলে আসতে শুরু করেছে। বিকালের দিকে মানুষের ঢল নামে। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হতেই কানায় কানায় ভরে যায় মৈনটঘাট এলাকা।
স্থানীয় দর্শনার্থী জান্নাতুল ইসলাম জানান, “এখানে পরিবারের সবাইকে এক সঙ্গে নিয়ে বেড়ানো খুবই আনন্দের। তিনি আরো বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ভীড় বেশী। মিনিকক্সবাজারে বাধ নির্মান করায় সৌন্দর্য আরো বাড়বে। ভালো লাগছে মুক্ত পরিবেশে সবাইকে নিয়ে সময় কাটাতে। দর্শনার্থীদের সংখ্যা বাড়ায় হোটেল ও রেস্টুরেন্টে বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুন। বিকেলে ইলিশবাড়ি হোটেলে গিয়ে দেখা যায় দর্শনার্থীরা খাবার খাচ্ছে।
হোটেল মালিকরা বলছেন গতবারের চেয়ে এবার বেচাকেনা কম।মিনিকক্সবাজার দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠুক এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
