মো শাজাহান খান : আরব আমিরাত থেকেঃ দেরা দুবাই রেডিসন ব্লু হোটেলের হলরুমে আয়োজিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী সাংবাদিকদের সাথে বিভিন্ন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের ” স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবাসীদের করনীয় “শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ তৈরিতে রেমিটেন্সের গুরুত্ব, ও রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধা সমূহ, প্রবাসীদের নানা সমস্যা আর সম্ভাবনা বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। এই আলোচনায় দুবাইতে বাংলা স্কুল স্থাপন, বিমানের সহনীয় ভাড়া, রেমিটেন্সের গতি বাড়াতে প্রনোদনা ৪ শতাংশে বৃদ্ধি, মোবাইল অ্যাপ এ টাকা পাঠানো সহ আমিরাত প্রবাসীদের বিভিন্ন দাবি উঠে আসে। এছাড়াও বর্তমানে প্রবাসীদের ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমার আওতায় আনা হয়েছে বলে সরকারী পক্ষ থেকে জানানো হয়।
দুবাই বাংলাদেশ এসোসিয়েশন এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলহাজ্ব ইয়াকুব সৈনিক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মান্যবর জনাব আবু জাফর। টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন।
মাহাবুব হাসান হৃদয় ও তিশা সেন এর সঞ্চালনায় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের করনীয় বিষয় গুলো তুলে ধরেন সাংবাদিক শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববি, সাইফুল ইসলাম তালুকদার, সিরাজুল হক, আব্দুল মান্নান, লুৎফর রহমান, আব্দুল আলিম সাইফুল, মেহেদী হাসান, সোহেল, সাগর দেবনাথ সহ আরো অনেকেই।
প্রবাসীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব ইফতেখার হোসেন বাবুল, শেখ ফরিদ আহমেদ সিআইপি, আইয়ুব আলী বাবুল সিআইপি, মোঃ রাজা মল্লিক, আলহাজ্ব জুলফিকার ওসমান, ইসমাইল গনি চৌধুরী, মাজহার উল্লাহ মিয়া, সাইফুদ্দীন আহমদ, আলহাজ্ব মনছুর সবুর, সেলিম চৌধুরী, কাজী মোহাম্মদ আলী, শওকত আকবর, নাসির উদ্দিন তালুকদার, শিমুল মোস্তফা সিআইপি, নাসের রেজা খান, পাভেল, শাহীনুর সাহা, শওকত মোল্লা, সাফায়েত শিকদার, আবুল কাশেম সহ আরো অনেকেই।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর বলেছেন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট নাগরিক তৈরি করতে হবে। কারণ স্মার্ট নাগরিক ছাড়া স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি দেশে-বিদেশে নাগরিকদের স্মার্ট করে তুলতে হবে।
দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের লেবার কাউন্সিলর মোঃ আব্দুস সালাম বলেছেন, বর্তমানে প্রবাসীদের ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বীমার আওতায় আনা হয়েছে , এটা প্রবাসীদের জানা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ সমিতি, দুবাই এর সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইয়াকুব সৈনিক বলেছেন, মতপার্থক্য কখনো ভালো দিক না। তাই যে যেই সংগঠন করুক না কেন দেশের উন্নয়নে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত।
ইউএই’র বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব শেখ ফরিদ আহমেদ সিআইপি বলেছেন, রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার ২.৫ % প্রণোদনা দেন। কিন্তু সরকার যদি ৪ পারসেন্ট দেন তাহলে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণের ক্ষেত্রে আরো উৎসাহিত হবেন।
