সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি : সিরাজদিখানে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পহেলা বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টার সময় উপজেলা স্বাধীনতা মঞ্চে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব সাব্বির আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমেদ, সিরাজদিখান সরকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে হাবিবা ফারজানা, সিরাদিখান থানা অফিসার ইনচার্জ মুজাহিদুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান মইনুল হাসান নাহিদ, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট তাহামিনা আক্তার তুহিন , সিরাজদিখান উপজেলার আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আওলাদ হোসেন মৃধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মতিন হাওলাদার সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজদিখান আওয়ামীলীগ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ তাজুল ইসলাম পিন্টু এবং উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণ সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পহেলা বৈশাখের বিভিন্ন ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন,বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পর্বণ। তার মধ্যেই অন্যতম ১লা বৈশাখ।বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন ১লা বৈশাখ।নতুন বঙ্গাব্দকে আহ করার দিন। তাই স্বাভাবিক ভাবেই এই দিনটির সঙ্গে বাঙালির আবেগ ভাবনা ও উচ্ছাস জড়িয়ে রয়েছে। নতুন বঙ্গাব্দকর আহবান করার দিন তাই স্বাভাবিক ভাবে এই দিনটির সঙ্গে বাঙালির আবেগ ভাবনা উচ্ছাস জড়িয়ে। আকবরের আমলের করআদায়ের একটি ক্যালেন্ডারেই রমরমা শুরু ১লা বৈশাখের।
বাঙালির নতুন বছর সেই তারিখপঞ্জিরই উদযাপন। ইতিহাসবিদেরা বেশির ভাগই এক মত, বাঙালি যতই দুই দেশে ভেঙে আলাদা হোক, পয়লা বৈশাখের আবেদনে অন্তত হিন্দু, মুসলিমে ভেদ নেই।পয়েলা বৈশাখ নববর্ষ নামেও পরিচিত।বাংলা নববর্ষ পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বের বাঙালিদের কাছে একটি গুরুত্বপুর্ণ উৎসব। ষোড়শ শতাব্দীতে মূগল যুগ থেকে শুরু হয় বলে মনেকরা হয় যখন সম্রাট আকবর ফসল কাটার মরশুমের উপর ভিত্তি করে একটি নতুন কর ব্যবস্হা চালু করেন।এটি বাংলা নববর্ষের সঙ্গে মিলে যায় যা ঐতিহ্যগত ভাবেস্হানীয় জনগণের দ্বারা উদযাপন করা হয়।
