ফিরুজ আলম বিপ্লব, টঙ্গীবাড়ী প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল সীমানাধীন পদ্মা নদীতে একটি বালুবাহী বাল্কহেডে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) ভোরে হাসাইল ট্রলার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাল্কহেডে থাকা লোকজনের কাছ থেকে নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। বাল্কহেডের মালিক বিল্লাল চৌকিদার জানান, বুধবার ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে হাসাইল ট্রলার ঘাট সংলগ্ন পদ্মা নদীতে তাঁদের বালুবাহী বাল্কহেডটি অবস্থান করছিল। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এসে তাঁদের বাল্কহেডটি থামায়। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। বিল্লাল চৌকিদার বলেন, “ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে ১০-১২ জন ডাকাত আমাদের বাল্কহেড থামিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নগদ ৭৫ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। তাদের সবার মুখে মাস্ক থাকায় কাউকে চিনতে পারিনি। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ডাকাতরা দ্রুত ট্রলারে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় বাল্কহেডে থাকা লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পদ্মা নদীর হাসাইল অংশে এমন ডাকাতির ঘটনায় নদীপথে চলাচলকারী নৌযান ও বালুবাহী বাল্কহেডের মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভোর ও রাতের নির্জন সময়ে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে নদীপথে টহল জোরদার ও জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামীম আহমেদ মুঠোফোনে বলেন, “ডাকাতির বিষয়টি আপনার মাধ্যমেই জানতে পারলাম। এখনো পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যেহেতু এটি নৌ-ডাকাতির ঘটনা, সেক্ষেত্রে বিষয়টি নৌ-পুলিশের আওতাধীন।”
