দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল কবে? অবসান হচ্ছে এই আলোচনার। আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এরপর হতে পারে কমিশন সভা। জাতির উদ্দেশে ভাষণে তফসিল ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
এই মুহূর্তে দেশের সব থেকে আলোচিত প্রশ্ন তফসিল কবে। সংবিধান মতে পহেলা নভেম্বর থেকেই শুরু হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কাউন্টডাউন। ডেড লাইন ২৯ জানুয়ারি। অর্থাৎ এই মাসের শুরু থেকে যেকোনো সময় তফসিল দিতে পারবে কমিশন। চলতি সংসদের পাঁচ বছর পূর্ণের আগের ৯০ দিন অর্থাৎ ভোট হতে হবে ২৯ জানুয়ারির মধ্যেই।
ভোটের প্রস্তুতিতে আগেই রোডম্যাপ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই অনুসারে ভোটার তালিকা হাল নাগাদ, সীমানা পুনঃনির্ধারন, অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ, ব্যালট বাদে ভোটের বাকি সরঞ্জাম জেলায় জেলায় পৌঁছে দেয়াসহ সব কাজ সেরেছে নির্ধারিত সময়ে।
রেওয়াজ অনুযায়ী ৯ নভেম্বর বঙ্গভবনে ভোটের সব শেষ প্রস্তুতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেছে কমিশন। এখন কেবল বাকি তফসিল ঘোষণার।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, তফসিল ঘোষণা উপলক্ষ্যে আজ বিকেল ৫টায় কমিশনের বৈঠক হবে। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের মাধ্যমে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে তফসিল ঘোষণা করতে পারেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। আর নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।
৭০ (১৯৭০ সাল) পরবর্তী সময়ে এ পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচনের তফসিল হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে দেশবাসীকে অবহিত করেছেন। সেই রেওয়াজের ব্যতিক্রম এবারও হচ্ছে না।
এদিকে বিকেলে বৈঠক, জাতির উদ্দেশে সিইসির ভাষণ ও ‘তফসিল ঘোষণা’কে কেন্দ্র করে আগারগাঁও নির্বাচন কমিশনের আশপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি শেষ হচ্ছে একাদশ সংসদের মেয়াদ। সংবিধান অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আর এজন্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে ইসি।
নভেম্বরের প্রথমার্ধে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল দেয়ার কথা আগে থেকেই জানিয়ে আসছিল নির্বাচন কমিশন।
