প্রথম দিনেই শো-রুমে ছিলো ক্রেতাদের তুলনামূলক ভীড়। শো-রুমটিতে ছিল সব ধরণের ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ডিজাইনের সব জুতা।
শো-রুমের পরিচালক মিজানুর রহমান, রবিউল হক ও মিলন হোসেন বলেন, পোষাকের পাশাপাশি মানুষের ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তোলার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে জুতা । আর দোহার ও নবাবগঞ্জের মানুষ সবসময়ই ব্যক্তিত্ব ও রুচিশীলতার পরিচয় বহন করেন। আমরা সেই গল্পকেই আরো স্পষ্ট করে তুলে ধরতে সাহায্য করি। তাই আমরা দোহার-নবাবগঞ্জের মানুষের জুতার প্রয়োজন মেটানোর বিষয়টি মাথায় রেখেই আজ এ শো-রুমের উদ্বোধন করেছি । আশা করছি যারা ব্র্যান্ডের ভালোমানের জুতা খুজছেন তারা এখানে আসবেই। তাই প্রতিযোগীতামূলক ফ্যাশন মার্কেটে ক্রেতা সন্তুষ্টির উপর ভিত্তি করেই কিছুদিনের মধ্যেই আমরা এপেক্স ও লটো ব্র্যান্ডের জুতার শো-রুম উদ্বোধন করবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুসুমহাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা ওহাব দোহারী, শিলাকোঠা জামীয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহিম, ইউকে মুসলিম এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম, নুর এ আলম, আবু নাঈম মোহাম্মদ তাইমিয়াসহ আরো অনেকে।
