দোহারে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে গণধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (৩ এপ্রিল) ভুক্তভোগী কিশোরী এবিষয়ে দোহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তিনজন কে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে।

মামলা নং ০২ , তারিখ ০৩/০৪/২০২২ ইং, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৩)/৯(৪) এর (খ) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। উক্ত মামলার ১নং আসামি বাবুল মাঝিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত ঐ কিশোরীর (১৫) সাথে উপজেলার বড় রামনাথপুর এলাকার বাদশা মাঝির ছেলে বাবুল মাঝির (২৪) প্রেমের সম্পর্ক থাকায় বিভিন্ন সময় মুঠোফোনে কথা এবং দেখা করতো। গত ৩০ মার্চ বুধবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে কিশোরীকে ফোন করে উপজেলার চান্দার বিল ব্রিজের উপরে দেখা করতে বলে বাবুল মাঝি। কিশোরী ব্রিজে পৌঁছালে আনুমানিক রাত ১০.০৫ মিনিটের দিকে বাবুল মাঝির বন্ধু একই এলাকার বিল্লাল চোকদারের ছেলে শামীম চোকদার (২৩) ও ছোট রামনাথপুর এলাকার মুসলেম শিকদারের ছেলে আবু কালাম (২২) উপস্থিত হয়। বাবুল মাঝি তার দুই বন্ধুকে ওই কিশোরীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে ব্রিজ থেকে কিশোরীকে জোরপূর্বক সালামের বাড়ির পাশে আক্কেল আলীর আবাদি জমিতে নিয়ে জোরপূর্বক প্রথমে শামীম চোকদার পরে আবু কালাম ধর্ষণ করে। বাবুল মাঝি কিশোরীর স্পর্শকাতর অঙ্গে হাত দেয় এবং কিশোরী অসুস্থ হয়ে পরায় ধর্ষণ করতে পারেনি। ওই সময় কিশোরী বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাবুল মাঝি কিশোরীকে তার বাড়িতে নিয়ে রাখে।

পরদিন সকালে কিশোরী তাদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে তার মাকে ঘটনা বলে। পরে তার মায়ের পরামর্শে দোহার থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

এবিষয়ে দোহার থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজাহারুল ইসলাম জানান, কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেয়া হয়েছে। আসামি তিনজনের মধ্যে ১নং আসামি বাবুল মাঝি (২৪) কে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামিদের আটক করার চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *