নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার উপজেলায় দক্ষিণ শিমুলিয়া এলাকায় একটি পরিত্যাক্ত ইট ভাটায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, ফরিদপুরের বাসিন্দা মুজিবুর (৩০), তার ছোট ভাই ফারুক (২৫), তাদের ভাগিনা রাজিব (২০), কুড়িগ্রামের বাসিন্দা মামুন (১৯), ব্রাম্মনবাড়িয়ার বাসিন্দা সোবাহান (৩০)। তারা সবাই দোহারের বিভিন্ন স্থানে দিনমজুরের কাজ করতো।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসামি রাজিবের সাথে মোবাইলে পরিচয় হয় প্রতিবন্ধী কিশোরীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত ৯ই মে দুপুর ১২টার দিকে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দক্ষিণ শিমুলিয়া একটি পরিত্যাক্ত ইটভাটায় নিয়ে গিয়ে রাজিবসহ উল্লেখিত বাকি ৪ আসামি মিলে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
পরে কিশোরীর ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় দোহার থানা পুলিশ। এই ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
মামলা এজাহারের পর দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোস্তফা কামালের নির্দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ছদ্ববেশ ধারণ করে দোহার থানা ওসি তদন্ত মো. মাসুদুর রহমান ও ফুলতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম ফরিদপুর, মুন্সিগঞ্জ ও দোহারের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।
দোহার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের অভিযানে পাঁচ আসামি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং তারা শিকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
