ঢাকা জেলা পর্যটন শিল্প উন্নয়নে মৈনটঘাট ও বাহ্রাঘাটে পরিদর্শন

 নিজস্ব প্রতিবেদক:  অর্থনৈতিক বিপ্লব ব্যতীত কোনো জাতি উন্নতির স্বর্ণশিখরে পৌঁছাতে পারে না । আর এ অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটাতে প্রয়োজন আমাদের ইছামতি নদী, দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জকে পর্যটন শিল্প হিসেবে ঘোষণা করা। এই ধারাবাহিকতায় উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়ন ও ইকরাশী এলাকাবাসীদের নিয়ে, মৈনটঘাট ও বাহ্রাঘাট পরিদর্শন করেন, ঢাকা জেলা পর্যটন শিল্প উন্নয়নের আহবায়ক মো. তারেক হোসেন। এসময় তারেক হোসেন বলেন, নদী ও মানুষের সম্পর্ক সেই প্রাচীনকাল থেকেই। যেখানে নদী, সেখানেই মানুষের বসতি গড়ে উঠে। নদীর প্রাণ-প্রকৃতি ঘিরে গড়ে উঠে নতুন সভ্যতা। বিশ্বের অনেক দেশেই পর্যটনের মূল আকর্ষণ তাদের নদীকে ঘিরেই। অথচ বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও নদী কেন্দ্রীক পর্যটন এখনো গড়ে ওঠেনি। দোহারে নদী কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ বিষয়টি বিগত সময়ে ছিল গুরুত্বহীন, অবহেলিত এবং উপেক্ষিত।

ফলে হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের নৌ ভ্রমণও হতে পারে পর্যটনশিল্প বিকাশের অন্যতম উপকরণ। তিনি আরও বলেন, আমাদের ঢাকা জেলা পর্যটন শিল্প উন্নয়নে পরকিল্পনা আছে। আমরা সকলের সহযোগিতা চাই। তারেকের আলোচনায়- পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এই উদ্যোগ ঢাকা জেলায় পর্যটন শিল্প বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এসময় তার সফর সঙ্গী থেকে মৈনট ও বাহ্রাঘাট পরিদর্শন করেন দোহার উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল আকন্দসহ কুসুমহাটি ইউনিয়ন ও ইকরাশি গ্রামবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *