নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার দোহার উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। হাসপাতাল ছেড়ে চিকিৎসকরা ব্যস্ত প্রাইভেট ক্লিনিকে। সরেজমিন জানা যায়, দোহার উপজেলায় চিকিৎসা সেবার অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্থান হলো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সম্প্রতি দালালদের প্রকাশ্যে রোগী বাণিজ্যের কারণে সরকারের মহৎ উদ্দেশ্য ভেস্তে যেতে বসেছে। প্রতিদিনই জয়পাড়া ও তার আশপাশের ক্লিনিক ও রোগ নিরাময় কেন্দ্রের ১০-১৫ জনের দালাল চক্র জরুরি বিভাগসহ চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে রোগীকে অন্যত্র উন্নতমানের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে বলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রতিদিন হাসপাতাল ফটকের সামনে ১০-১৫ জনের দালাল চক্র রোগীর সন্ধানে দাঁড়িয়ে থাকে। এ সময় রোগীর সন্ধান পেলে হাসপাতাল থেকে বের করে নিয়ে তাদের পছন্দ মতো বাইরের ক্লিনিকে নিয়ে ভর্তি করায়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগীদের চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র লেখা শেষ হতে না হতেই রোগীর হাত থেকে ব্যবস্থাপত্র নিয়ে তারা তাদের পছন্দ মতো রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে।
এই দালাল চক্রের সদস্যরা সবাই উপজেলার স্থানীয় হওয়ায় চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ইয়াহিয়া হাসপাতালের চিকিৎসা ছেড়ে ব্যস্ত প্রাইভেট ক্লিনিকে।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন দালালদের উৎপাতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি চাই আমাদের হাসপাতাল দালালমুক্ত থাকুক। অসহায় গরিব-দুঃখীরা বিনা খরচে স্বাস্থ্যসেবা পাক, এটা আমাদেরও কাম্য। দালালদের বিষয়ে আমি আপনাদের সাহায্য চাই।’
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, এর আগেও দালালদের আটকে অভিযান পরিচালনা করেছি।
