কামরাঙ্গীরচরে উবার চালক নিখোঁজঃদশ দিনেও সন্ধান মিলেনি

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধ:  ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে নিখোঁজের দশ দিনেও উবার চালক মোঃআল আমিনের সন্ধান পায়নি তার পরিবার।গত ২৩ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার বিকেলে সে বড় গ্রামের বাসা থেকে তার রাইডিং শেয়ারের বাইক নিয়ে বের হন।এরপর আর বাসায় ফিরেননি।তার স্ত্রী শারমিন আক্তার জানান, প্রতিদিনের ন্যায় ২৩ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বার বিকেল চারটায় তার বাইক নিয়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের বড় গ্রামের বাসা থেকে বের হন।এর পর আর বাসায় ফিরেননি। বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার পরিচিতজন,বন্ধু -বান্ধব ও গ্রামের বাড়িতেও খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন আল আমিন কারো বাসায়ই যায়নি। তার মোবাইল ফোনটি পরদিন শুক্রবার থেকেই বন্ধ পাওয়া যায়।প্রথম অবস্থায় তার স্ত্রী ভেবে ছিলেন হয়তো মোবাইলের চার্জ শেষ।আর প্রায় সময়ই শেয়ার রাইডিং এ থাকায় ফোনে যোগাযোগ কম রাখতেন।প্রয়োজন হলে আল আমিন ফোনে স্ত্রী’র সঙ্গে যোগাযোগ করতেন।বাসা থেকে বের হলে বাইক চালানোর কারনে স্ত্রী শারমিন যোগাযোগ রাখতেন না।

কিন্তু বৃহস্পতিবার রাত পেরিয়ে শুক্রবার বিকেলেও বাসায় যোগাযোগ না করায় তাকে ফোন দিলে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া যায়।তাই পারিবারের সদস্যদের মাঝে উদ্বেগ দেখা দেয়।বিষয়টি কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়।ঘটনার তিন দিন পর ২৬ জানুয়ারী নিখোঁজ মোঃ আল আমিনের মা রাসিদা বেগম বাদী হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানায় ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন।এরপর পুলিশ জানতে পারে বৃহস্পতিবার বার মধ্যে রাতে কাকরাইল থেকেই তার ফোনটি বন্ধ হয়। বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত আল আমিনের মোবাইল কল লিস্ট ঘেটে আল আমিনের সঙ্গে যাদের কথা হয়েছে এবং শেয়ার রাইডিং করেছে তাদের সঙ্গে পুলিশ কথা বলেছে। কিন্তু নিখোঁজের কোন ক্লু খোঁজে পায়নি।দশ দিন পরও পুলিশ আল আমিনের কোন সন্ধান দিতে পারেনি।তার বাইকটিও উদ্ধার করা যায়নি।নিখোঁজ মোঃ আল আমিনের মামা সোহেল জানান,সাধারণত বৃহস্পতিবার সারা রাত রাইডিং শেয়ার করে প্রায়ই পরদিন শুক্রবার দুপুর বা বিকেলেও বাসায় ফিরেন।শুক্রবার থেকে মোবাইলটি বন্ধ থাকায় চার্জ শেষ হয়ে যেতে পারে বলে তার স্ত্রী মনে করেছিলেন।কারন প্রায়ই বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত আল আমিন শেয়ার রাইডিং করে বাড়ি ফিরতেন।সোহেল জানান,আল আমিন তার স্ত্রী, একমাত্র নয় বছরের সন্তান নিয়ে কামরাঙ্গীর বড় গ্রামে আলাদা একটি ফ্লাটে ভারা থাকতেন। মোঃ আল আমিন ছয় মাস আগে বাবর জুতা কোম্পানির চাকরি ছেড়ে একটি সেকেন্ডহ্যান্ড বাইক কিনে বাইক শেয়ারিং শুরু করেছিলেন।নিখোঁজ আল আমিনের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *