আর্চারদের বিরক্ত করবে না কেউ

ডেস্ক রিপোর্ট : টঙ্গী আর্চারি ট্রেনিং সেন্টার বা আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম থেকে আর্চারদের সরিয়ে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল। তবে, আর্চারি ফেডারেশনের জন্য নতুন আবাসের খোঁজ চলছে বলেও নিশ্চিত করেছেন তিনি। বাফুফের তরফ থেকে পূর্বাচলে আলাদা স্টেডিয়াম চাইলেও, সে সম্ভাবনা নিয়ে খুব একটা আশার বাণী শোনাতে পারলেন না রাসেল।

টঙ্গীর আর্চারি ট্রেনিং সেন্টার। বাংলাদেশের আর্চারদের একমাত্র আবাসস্থল। এখানেই তারা অনুশীলন করেন, খেলেন বিভিন্ন টুর্নামেন্ট। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আর্চারদের যা কিছু সাফল্য, তার সব কিছুর সূতিকাগার এ মাঠটা।

কিন্তু, সময়ের ফেরে এখন এখানেই অনুষ্ঠিত হচ্ছ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের ম্যাচ। কোন ধরণের সুযোগ-সুবিধা না থাকার পরও এটাই এখন বিপিএলের একটি ক্লাবের হোম গ্রাউন্ডও। স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রশ্ন থাকে, মাঠটা কি তবে থাকছে না আর আর্চারদের?উত্তরে আশার বাণী শোনালেন মন্ত্রী। তিনি জানান, ‘বিকল্প না পাওয়ার আগ পর্যন্ত আর্চারদের বিরক্ত করবে না কেউ।’

প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘এটা এখনো আর্চারদের স্টেডিয়াম। তারাই এখানে অনুশীলন করবে। তাদেরকে কেউ সরাচ্ছে না। তবে, তাদের জন্য নতুন আবাসস্থল খোঁজা হচ্ছে । ঢাকার বাইরে নতুন বাসস্থান পেলে সেখানে শিফট করা হবে। কিন্তু, বিকল্প না পাওয়া পর্যন্ত এখানে তাদের কেউ বিরক্ত করবে না।

তবে, ভবিষ্যতে যে এটা আর্চারদের জন্য আর থাকছে না সেটা অনেকটাই নিশ্চিত মন্ত্রীর কথায়। কারণ, স্টেডিয়াম সংস্কারে নতুন বাজেট এসেছে ২৬ কোটি টাকার।তিনি আরও জানান, ‘এই স্টেডিয়ামের সংস্কারের জন্য টাকা অনুমোদন হয়েছে। আমরা কিছুদিনের মধ্যেই পরিকল্পনা করে, কাজে নেমে যাবো। যা যা সমস্যা আছে সব সমাধান করা হবে।’

আর্চারদের জন্য ইতিবাচক কথা থাকলেও, ফুটবল ফেডারেশনের আবদারে নেতিবাচক মন্তব্যই করলেন জাহিদ আহসান রাসেল। পূর্বাচলে একক স্টেডিয়ামের দাবি বাফুফের, তবে, মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের কিছু জায়গা বরাদ্দ থাকবে ফুটবলের জন্য।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ‘দেখুন আমার কাছে তো জায়গা নেই। জায়গাটা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। আমরা তাদেরকে বলেছি। দেখি কি হয়। তবে, পুরো স্টেডিয়াম না হলেও, ক্রীড়া কমপ্লেক্সে অবশ্যই ফুটবলের জন্য জায়গা বরাদ্দ থাকবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *