নিজস্ব প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান এমপি বলেছেন, সবাই আমার জনগণ। সবাই আমার লোক। যার যার যোগ্যতায় সে সে নেতা হবে। আমি কাউকে নেতা বানাবো না। আজ ঢাকার নবাবগঞ্জে দীর্ঘ আঠার বছর পর দিনব্যাপী দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজে আয়োজিত বর্ধিত সভায় ভার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার আয়োজন করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভুঁইয়া কিসমতের সভাপতিত্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফজলুর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আব্দুর রউফ।
এসময় সালমান এফ রহমান বলেন, আমি নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগকে সু-সংগঠিত দেখতে চাই। আমি চাই আপনারা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন।
এমপি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, আপনারা জানেন দলীয় মনোনয়ন বোর্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি। সেখানে আমি কোনো সদস্যও নই। অতএব আমি প্রার্থীতা নিয়ে কোনো রকম কথা বলবো না। আপনারা কেউ আমার আশায় থাকবেন না। তবে প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনয়ন দিবেন, আমি তার পক্ষে কাজ করবো। তাই আপনারা যে যার অবস্থান থেকে কাজ করে যান।
সালমান এফ রহমান আরও বলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার সব চেয়ে বড় সমস্যা রাস্তা ঘাট। ইতিমধ্যে ৬’শ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি পাশ হলে আশা করছি এসকল রাস্তা ঘাটের সমস্যা নিরসন হবে।
তিনি বলেন, বান্দুরা ব্রিজটি খুব জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আমার কথা হয়েছে খুব শিগগিরই ব্রিজটির কাজ শুরু হবে।
উপদেষ্টা বলেন, নবাবগঞ্জের আওয়ামীলীগ যদি সুসংগঠিত না হয় তাহলে কিন্তু আগামী নির্বাচনে আমরা নেত্রীকে এই ঢাকা-১ আসনটি উপহার দিতে পারবো না। তাই আপনারা যত দ্রুত সম্ভব দলকে সু-সংগঠিত করুন।
বর্ধিত সভায় তৃণমূলের নেতা কর্মীরা সালমান এফ রহমানের প্রশংসা করে বলেন। আমাদের অনেক আগেই সালমান এফ রহমানের মত একজন যোগ্য নেতার দরকার ছিলো। যিনি সকল গ্রুপিং এবং বেধাবেধ ভুলে গিয়ে সকল নেতা কর্মীদের এক কাতারে দাড় করিয়েছেন। সেই সাথে তৃনমূলের নেতা কর্মীরা উপজেলার নেতৃস্থানীয় নেতা কর্মীদের সদ্য ভুল বুঝা বুঝির অবসান দাবি করে।
পরে তৃনমূল নেতা কর্মীদের দাবির পরিপেক্ষিত সকল ভুল ত্রুটি ভুলে গিয়ে উপজেলার আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভুঁইয়া কিসমত, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, ড. মো. সাফিল উদ্দিন মিয়া ও ইঞ্জি. আরিফুর রহমান শিকদার একমত প্রসন করে বলেন, আমরা আপনাদের সামনে কথা দিচ্ছি এখন থেকে আমরা আর আলাদা ভাবে চলবো না। দলের স্বার্থে সেখানেই যাবো এক সাথে যাবো এবং যে কোনো সিদ্ধান্ত নিবো এক সাথে নিবো।
বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দসহ ১৪টি ইউনিয়নের ১২৬ ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।
