সিরাজদিখানে হত্যার মামলা রহস্য উন্মোচন

লতা মন্ডল- সিরাজদিখান (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ  মুন্সিগঞ্জ সিরাজদিখানে চাঞ্চল্যকর কোরানে হাফেজ ইজি বাইক চালক নেকবর হোসেন হত্যা মামলার তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০ ঘন্টা পর সূত্রহীন মামলা হত্যার রহস্য উন্মোচন, টাকার জন্য আপন ভাগনেকে হত্যা। তন্মধ্যে দুইজনকে চরগুলগুলিয়া থেকে এবং বাকি এক আসামীকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সিরাজদিখান থানা কার্যালয়ের কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্র্রিফিংয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান রিপন এ তথ্য জানান। নির্জন সড়ক খাস কান্দি রেলওয়ে সড়কের পাশে । ৩৩৪ ও ৩৩৫ নং রেলওয়র পিলারের মাঝখান থেকে উদ্ধার হয় একটি লাশ। লাশ কার, লাশটি কীভাবে এল, কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল, হত্যার কারণই-বা কীএসব বিষয়ে পুলিশের কোনো ধারণা নেই। এমন একটি সূত্রহীন হত্যার রহস্য অনেকটা কাকতালীয়ভাবে উদ্‌ঘাটনের কথা জানিয়েছে সিরাজদিখান পুলিশ।

মুন্সিগঞ্জ সহকারী পুলিশ সুপার (সিরাজদিখান-টংগীবাড়ি সার্কেল)মোস্তাফিজুর রহমান রিফাত ও ওসি মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম সুমন সাংবাদিকদেরকে বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে আমরা অনেকটা অন্ধকারে ছিলাম। অন্ধকারে ঢিল ছুড়তে ছুড়তে দুয়ে-দুইয়ে চার মিলে যায়। ২৪ ঘন্টার কম সময়ের মধ্যে উদ্‌ঘাটিত হয় হত্যার রহস্য। ধৃত আসামী জাবেদ পেশায় একজন ইজি বাইকের মিস্ত্রী ও অপর আসামী রেজাউল ইজি বাইক চালক আসামীদ্বয়কে জিঞ্জাসাবাদে তারা পুলিশের নিকট প্রাথমিক ভাবে স্বীকার করেন নগদ টাকার জন্য আপন ভাগ্নে কোরানে হাফেজ নেকবরকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য গত রবিবার বিকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় নেকবর। স্বজনরা রাতে বিভিন্ন স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। পরেরদিন সোমবার সকালে গ্রামের একটি ইটভাটার কাছে লাশ পাওয়া যায় । নিহত নেকবর উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের চরগুলগুলিয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ সাজা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় নিহতদের ভাই তোপাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *