সিংগাইর(মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বহুল আলোচিত ফোর মার্ডার মামলার আসামী আনোয়ার কসাইকে গ্রেফতারের জের ধরে তার লোকজন স্থানীয় দুই বিএনপি নেতার বাড়িতে ভাংচুরসহ প্রাননাশের হুমকি দিয়েছে দুস্কুতকারিরা। ঘটনাটি ঘটেছে,শুক্রবার(১৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৮ টার দিকে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের উত্তর পারিল গ্রামে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোস্তফা মিয়া ও আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেন বাদি হয়ে সিংগাইর থানায় পৃথক দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেন উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের উত্তর পারিল গ্রামের মৃত.জবেদ হোসেনের ছেলে। তিনি বর্তমানে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন। অপর ভুক্তভোগী মোস্তফা মিয়া বলধারা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য। শনিবার (১৪ নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়,উপজেলার আওয়ামীলীলের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে উপজেলার গোবিন্ধল গ্রামের ফোর মার্ডার মামলায় গত ১২ নভেম্বর পুলিশ গ্রেফতার করেন।
এরই জের ধরে পুলিশের উপস্থিতিতে তার ভাই দেলোয়ার কসাই,আইনব কসাই ও রেজ্জাক কসাই বিএনপি নেতা মোস্তফা মিয়া ও আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরবর্তীতে শুক্রবার ১৪ নভেম্বর দিবাগত রাতে গ্রেফতারকৃত আওয়ামীলীগ নেতার ভাগিনা পলাশ ও সজিব গং মোটর সাইকেল যোগে দুই বিএনপি নেতার বাড়িতে টিনের গেট ভাংচুরসহ ভিতর প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রান নাশের হুমকি দেয়। বিএনপি নেতা মোস্তফা ও আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেনকে বাড়িতে না পেয়ে তারা দ্রুত চলে যায়।
এসময় বাড়ির লোকজনের মধ্যে ভীতি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেন জানান,আওয়ামীলীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের ভাগিনা পলাশ গংরা আমাকে মেরে ফেলার জন্য আসে। আমি বাড়িতে না থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই। তারা আমাকে না পেয়ে আমার বাড়ি ভাংচুরসহ তান্ডব চালায়। তিনি এর সুষ্ট বিচারের দাবি করেন। অপর ভুক্তভোগী মোস্তফা মিয়া এ প্রতিবেদককে একই কথায় জানান।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত পলাশ ঘটনার কথা অস্বীকার করেন। সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) জেওএম তৌফিক আজম বলেন,আসাদুজ্জামান নুর@মোক্তার হোসেন ও মোস্তফা মিয়ার পৃথক দুটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
