মো. রকিবুল হাসান বিশ্বাস (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মৌ (১৯) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ই এপ্রিল) সকালের দিকে উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামে তার স্বামীর বাড়ি থেকে এ লাশ উদ্ধার করেন। নিহত মৌ (১৯) উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের জায়গির গ্রামের মো. মকবুল হোসেনের মেয়ে ও সায়েস্তা ইউনিয়নের লক্ষীপুর গ্রামের প্রবাসী মো. আল-আমিনের স্ত্রী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৯ মাস আগে প্রবাসী মো. আল-আমিন ছুটিতে দেশে এসে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের জায়গির গ্রামের মো. মকবুল হোসেনের মেয়ে মৌ (১৯) কে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর আল আমিন বিদেশ চলে যান। হঠাৎ বুধবার (২২ই এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে পার্শ্ববর্তী এলাকার নয়াডাঙ্গী গ্রামের মো. শাহজাহান ফকিরের পুত্র মো. কহিনুর (২২) বাড়িতে ডুকে জানালা দিয়ে মৌর সাথে কথা বলতে ছিল। শ্বশুর টের পেয়ে বাহিরে লাইট ধরলে ঐ যুবক ওয়াল টপকিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে ছেলের বউকে বিভিন্নভাবে শ্বশুর মো. ছালাম প্রশ্ন করতে থাকে পালিয়ে যাওয়া ছেলেটি কে ? কি কারনে এসেছিল। ছেলের বউ কোন কিছুর উত্তর না দেওয়াতে তার বাবা মা কে রাতেই দ্রুত আসতে বলে শ্বশুর আব্দুস ছালাম। এরপর তার বাবা মা গভীর রাতে মেয়ের বাড়িতে এসে দেখেন মৌ তার শ্বয়ন কক্ষে ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলছে।
সকাল বেলা সিংগাইর থানা পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রির্পোট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন।
নিহত মৌর বাবা ও মায়ের দাবি আমার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার মিয়া বলেন- পরকিয়া সংগঠিত কারণে আত্বহত্যা করতে পারে বলে আমাদের ধারনা। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
