মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে তিনটি পরিবার কর্তৃক সরকারি রাস্তা ও পানি নিষ্কাশনের ড্রেন বন্ধ করে বসত বিল্ডিং নির্মাণ করায় জনসাধারণের চলাচলের একটি সরকারি রাস্তা বৃষ্টির পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে।
এতে এলাকার বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীসহ অন্তত সহস্রাধিক মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
জনচলাচলের রাস্তা ও জলাবদ্ধতা নিরসণে এলাকাবাসী ভুমি অফিস বরাবরে অভিযোগ করলে ভুমি মাপযোগ করে বিল্ডিং নির্মাণে বাধা দিয়ে বাধাদানকারীদের লিখিত নোটিশ প্রদান করেন। তবুও দখল না ছেড়ে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছে ঐ এলাকার ইয়াছিন বেপারী, আমির বেপারী ও হাশেম বেপারী পরিবারগং।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ভাগ্যকুল মান্দ্রা সংলগ্ন পদ্মানদী থেকে রেকর্ডিয় একটি খাল উৎপত্তি হয়ে কবুতরখোলা গ্রাম দিয়ে বয়ে গিয়ে আড়িয়া বিলে পতিত হয়। কালের বিবর্তনে রেকর্ডিয় খালটি ভরাট হলে স্থানীয়রা মেম্বার ও চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সরকারী বরাদ্দে ঐ এলাকার দুই শতাধিক পরিবারের প্রায় সহস্রাধিক মানুষ চলাচলের জন্য খালের নিচ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন ও উপরে দিয়ে একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরে প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় ইয়াছিন বেপারী, আমির বেপারী ও হাশেম বেপারী পরিবারগং স্থানীয়দের বাধা উপেক্ষা করে রাস্তা ও ড্রেন বন্ধ করে দিয়ে বসত বিল্ডিং নির্মান করে। পরবর্তীতে অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রশাসন সরেজমিনে গিয়ে রাস্তা মাপযোগ করে এবং বসতবিল্ডিংসহ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়।
এব্যাপারে অভিযুক্ত ইয়াছিন বেপারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুধু আমি না এখানে একাধিক পরিবার এই রাস্তা ও ড্রেন দখল করে স্থাপনা নির্মান করেছে। এসিল্যান্ড অফিস থেকে আমাকে লিখিত নোটিশ করেছিল আমি তার জবাব দিয়েছি। এখান সবাই যদি দখল ছেড়ে দেয় তাহলে আমিও ছেড়ে দিব।
ভাগ্যকুল ইউনিয়ন সহকারী তহসিলদার মাহফুজ বলেন, এব্যাপারে আমরা মাপযোগ করেছি এবং দখল উচ্ছেদের জন্য ফাইল ভুমি অফিস থেকে ফাইল ডিসি অফিসে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে
