জেলা প্রতিনিধি: ভদ্রঘাটের পালপাড়ার কারিগরদের অনেক পুরোনো ক্রেতা রয়েছে। প্রায় ৪০ জন স্থায়ী ক্রেতা রয়েছেন এক গৌড় পাল কারিগরের কাছে। তিনি বলেন, প্রায় ৪০ বছর ধরে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কারণে প্রতি বছরই এসব ক্রেতা এখান থেকে প্রতিমা সংগ্রহ করেন।
কারিগরদের হিসাব অনুযায়ী, ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া একটি প্রতিমা তৈরিতে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতিমা তৈরির উপকরণ ও শ্রমের খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। তাদের দাবি, সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু সে তুলনায় লাভ বাড়েনি; বর্তমানে প্রায় ৩০ শতাংশের মতো লাভ থাকে।
কারিগররা বলছেন, খরচ বাড়লেও প্রতিমার দাম ইচ্ছেমতো বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলে আগের তুলনায় খুব বেশি লাভ থাকছে না। তবে বংশপরম্পরায় চলে আসা এই পেশার প্রতি টান এবং পূর্বপুরুষদের ব্যবসা ধরে রাখতেই এখনও তারা প্রতিমা তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশের ওসি হাশমত আলী বলেন, দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিমা তৈরির স্থানগুলোতেও পুলিশের নজরদারি রয়েছে। পাশাপাশি সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার স্যার বিকেলে ওই এলাকা পরিদর্শন করবেন।
এ বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হবে ১০ অক্টোবর মহালয়ার মাধ্যমে এবং মূল পূজা শুরু হবে ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।
