নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার নবাবগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনার জেরে পর্তুগাল প্রবাসী বাবা ও ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, উপজেলার দেওতলা গ্রামের মৃত ইমান আলী শিকদারের ছেলে লিমন শিকদার (৪০) ও তার ছেলে সাজিম শিকদার (১৯)। তারা দুজনেই পর্তুগাল প্রবাসী। সম্প্রতি তারা দেশে এসেছে।
এঘটনায় লিমনের বড় ভাই লিটন শিকদার বাদি হয়ে উপজেলার মৌলভীডাঙ্গীর মৃত আ. রাজ্জাকের ছেলে মো. শরীফ (৩৫) ও সজু (৩০), একই গ্রামের আ. হান্নানের ছেলে শান্ত (২৫) ও প্রান্ত (২৩) এবং গোবিন্দপুরের তপুসহ (২২) অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সোমবার (০৪ অক্টোবর) আহতের পরিবার জানান, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে একটি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ধাপারী ব্রিজের ঢালে সাজিমের সাথে শরীফ, সজু ও তপুর কথা কাটাকাটি হয়। পরে সাজিম মোটর সাইকেলে গোবিন্দপুর আসা মাত্র শরীফ গংরা তাকে মারধর করে। এসময় মারধরের ঘটনা সাজিম তার বাবা লিমন শিকদারকে জানালে খবর পেয়ে লিমন, তার ভাই লিটন ও শ্যালক জাহিদুলসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্র শরীফ গংরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে লিমন শিকদার ও তার ছেলে সাজিমকে কুপিয়ে জখম করে। লিমন ও সাজিমকে রক্ষা করতে গেলে শরীফ গংরা লিমনের বড় ভাই লিটন, শ্যালক জাহিদ, আত্মীয় মোখলেছুর ও জাকির খানকে পিটিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা পাঠানো হয়।
আহত লিমন শিকদার বলেন, দেশে এসেছি কয়েকদিন হলো। ভাবতেই পারি নাই সামান্য কারণে ওরা এভাবে আমাকে ও আমার ছেলেকে কুপিয়ে জখম করবে। ভাগ্যগুণে বেঁচে গেছি। আমি আসামীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি। এঘটনায় আমার বড় ভাই লিটন শিকদার বাদি হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিয়েছে।
এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
