অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, দুদক পতাকা উত্তোলন ও কবুতর উড্ডিয়নের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচীর সূচনা করা হয়। পরে উপজেলা চত্বরে মানববন্ধন শেষে সভা কক্ষে ‘দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইলোরা ইয়াসমিন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইলোরা ইয়াসমিন বলেন, কিছুদিন পরে পরীক্ষা। এক শিক্ষার্থী সাত সাবজেক্টে ফেল করেছে, এমন একজন আমার কাছে এসেছে। সে ভালো করে পড়াশোনা করেনি বলেই তো আজ সাত সাবজেক্টে ফেল করলো। অভিবাবক কান্নাকাটি করা শুরু করেছে। সে পরীক্ষা দিতে চায়। সেই শিক্ষার্থীর অভিবাবক আমাকে অনেক ম্যাসাজ করেছেন, ‘যে আমি কি আমার সন্তানকে হারাবো নাকি ইত্যাদি।’ এই যে সাত সাবজেক্টে ফেল করেও অনুরোধ করাটা, এই মানসিকতাও একটা দুর্নীতি। কোন বিষয়ে কতটুকু অনুরোধ করতে হবে, তা আমাদের বুঝতে হবে। এখানে দুর্নীতি মানেই যে শুধু টাকা পয়সা তা কিন্তু না। এধরনের প্রতিবন্ধকতাও এক ধরণের দুর্নীতি। তাই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের মনকেও ব্যালেন্স করতে হবে। আমরা দুর্নীতি প্রতিরোধ করবো। এ দেশ আরো এগিয়ে যাক। দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ হোক, এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি মো. মহিউল মিল্লাত, সদস্য ও ইসলামাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুর-ই আলম সিদ্দিক, সদস্য ফারুক-ই আজম, তাপস কুমার নন্দী, জয়পাড়া পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাক আহাম্মদ খন্দকার, কোঠাবাড়ি কলেজের অধ্যক্ষ রবীন্দ্র মন্ডল, লটাখোলা আজাহার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকতারুজ্জামান, বেগম আয়েশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক মিসেস মুসলিমা বেগম, বাহ্রা হাবিল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ. হালিম, শিলাকোঠা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আইউব আলীসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রোভার স্কাউট, গালস গাইড, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
