নিহত যুবতীর ছোট ভাই মো. জসিম জানান, তার বোন রাজধানীর বলদা গার্ডেনের এক আন্টির ছেলে-মেয়েদের স্কুল থেকে আনা নেওয়ার কাজ করতো। শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ওই আন্টির বাসায় যাওয়ার কথা বলে নিজ বাসায় থেকে বের হয় সাহিদা। বিয়ের ৬মাসের মাথায় স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের পর গত
৮ বছর আগে গ্রামের বাড়ি থেকে পরিবার নিয়ে রাজধানীর ওয়ারীতে চলে আসেন। তারা ৩ বোন ও ২ ভাই। বোনের সঙ্গে কারো প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে-কিনা জানে না।
নিহত যুবতীর মা জরিনা বেগম জানান, আমার মেয়ের সাথে ওয়ারী এলাকার মাদক ব্যবসায়ী তৌহিদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তৌহিদের মা-বোন আমার কাছে যৌতুক হিসেবে দশ লক্ষ টাকা চাইলে আমি অপারগতা প্রকাশ করি এবং আমার মেয়েকে তার সাথে মেলামেশা করতে নিষেধ করার পরে সে মানেনি। এর আগে সাহিদা ও তৌহিদ চাঁদপুরে গিয়ে পুলিশের কাছে গ্রেফতার পরে তৌহিদের বোন গিয়ে তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। আমার মেয়েকে ঐ তৌহিদ গুলি করে মেরেছে। আমি তার শাস্তি চাই। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(শ্রীনগর সার্কেল) মোঃ আনিছুর রহমান জানান, প্রাথমিক ভাবে থানা পুলিশ আশাপাশে খোঁজাখুঁজি করে ক্লু পাওয়ার চেষ্টা করেছে। পুলিশ ইনভেষ্টিগেশন ব্যুরো তথা পিবিআই ঘটনাস্থলে পৌছে যুবতীর ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয় তাতেও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। পরিশেষে আই ফোনের সিম কার্ড অন্য আরেকটি মোবাইল ফোন সেটে ব্যবহার পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
