জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে মুন্সীগঞ্জের ফিলিং স্টেশনে বিক্রি কমেছে

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ফিলিং স্টেশনগুলোতে কমেছে বিক্রি। আগের তুলনায় ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের উপস্থিতিও কমেছে বলে জানিয়েছেন স্টেশন সংশ্লিষ্টরা। এতে আয় কমে পরিচালন ব্যয় ও কর্মীদের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বুধবার জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে থাকা মোহাম্মদ এ ফিলিং স্টেশন, নিমতলা ফিলিং স্টেশন ও হাওলাদার ফিলিং স্টেশনে আগের তুলনায় যানবাহনের উপস্থিতি কম। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা কমেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

মোটরসাইকেল চালকদের কয়েকজন জানান, আগে প্রতি লিটার জ্বালানি ১৪৫ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন ১৬০ টাকা দিতে হচ্ছে। এতে তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের খরচ বেড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই এখন ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার করছেন না।
এদিকে জ্বালানি তেলের বাড়তি দামে যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনার চালকরাও চাপের মধ্যে পড়েছেন।

চালকদের দাবি, জ্বালানির দাম বাড়লেও এখনো পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করা হয়নি। ফলে বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের চাপ তাদের বহন করতে হচ্ছে।

মোহাম্মদ এ ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রঞ্জন দত্ত বলেন, তেলের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পর থেকেই বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এ অবস্থা দীর্ঘায়িত হলে কর্মীদের বেতনসহ স্টেশন পরিচালনার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

নিমতলা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন বলেন, আগের তুলনায় তেলের বিক্রি অনেক কমেছে। মাঝে মধ্যে দু-একটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল জ্বালানি নিতে আসছে। এভাবে চলতে থাকলে ফিলিং স্টেশন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু ফিলিং স্টেশনের বিক্রিতে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবহন ব্যয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রভাব মানুষের দৈনন্দিন খরচ ও বিভিন্ন পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *