আমি মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৫), পিতা মো. নুরুল হক, মাতা-জাহানারা বেগম, সাং-মে ঘুলা, থানা-দোহার, জেলা-ঢাকা। প্রায় ৬ মাস আগে ১। রাসেল (৩৬), ২। সাদিকুল (8) উভয় পিতা-সিদ্দিক সারেং, ৩। মোসাঃ দিপু আক্তার (৪২), পিতা সিদ্দিক সারেং, স্বামী-আঃ রহিম, সিয়াম (২০), পিতা-আঃ রহিম, ৫। লায়লা বেগম (৫৮), পিতা-মৃত আমাদের মোল্লা, স্বামী- সিদ্দিক সারেং সর্ব সাং-মেঘুলা সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন আসামি করে মামলা করি।
আসামিদের সাথে আমাদের দীর্ঘ দিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ ছিলো। পূর্ব শত্রুতার যের ধরে গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে বিকালে আসামিরা কাঠের ও বাঁশের লাঠি, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আমার বাবাকে আসামি রাসেল হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আমার বাবা মারা যায়। তিনি জানান, ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছেন। সেই সাথে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম আরোও বলেন, আমি কিছুক্ষণ আগে দেখতে পেলাম দোহারের একটি নাম সর্বস্ব অনলাইন পত্রিকা এশিয়া বার্তায় আমার বাবার খুনি রাসেল একটি প্রতিবাদ দিয়েছে। রাসেল একজন খুনি তার পক্ষ নিয়ে একটি পত্রিকা কিভাবে প্রতিবাদ প্রকাশ করে আমার বুঝে আসে না। তিনি বলেন, দোহারে সাপ্তাহিক এশিয়া বার্তা ও অনলাইন এশিয়া বার্তা পত্রিকার কোন লাইসেন্স বা ডিক্লেয়ারেশন নেই। আমি খুনি রাসেলের পক্ষ নিয়ে এশিয়া বার্তা অনলাইনে ভুয়া প্রতিবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে ঢাকা জেলার ডিসি ও দোহার উপজেলা প্রশাসনকে এই ধরনের ভুয়া, লাইসেন্স ও ডিক্লেয়ারেশন বিহীন পত্রিকা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় ভুয়া প্রতিবাদ বা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।
জাহিদুল ইসলাম, মেঘুলা, দোহার, ঢাকা।
