ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যানের মুকুট ঝিলুর মাথায়

মো.নাজমুল হোসেনঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু তিনি নিজে যেমন একজন উচ্চ শিক্ষিত ঠিক তেমনি নবাবগঞ্জ উপজেলার শিক্ষার মান উন্নয়নে উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই শিক্ষা নিয়ে কাজ করে আসছিলেন। উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত  হওয়ার পর তার জন্য সেই কাজটি আরো সহজ হয়ে যায়। উপজেলার ১৩৭ টি স্কুলের বর্তমান পরিবেশ এবং অবস্থা তার মুখস্ত। এমন চেয়ারম্যান পেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষক মন্ডলীরা অনেক খুশি।

জানা যায় শিক্ষার মান  সুদূরপ্রসারিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৩ এ বিভিন্ন ক্যাটাগড়িতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক/ শিক্ষিকা, বিদ্যালয়, ব্যাক্তি, কমিটি, প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভিন্ন কর্মকান্ডে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোউন্নয়ন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিকভাবে উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলুকে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোউন্নয়ন বাছাই কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান ও সদস্য সচিব জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজের চিঠিতে ঝিলুকে ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষনা করা হয়। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ এর বিভাগীয় বাছাই কমিটির সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার মো. সাবিরুল ইসলাম এবং বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক মীর্জা মো. হাসান খসরু এর স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঝিলুকে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, আমার শিক্ষকতার বয়স প্রায় ৩০ বছর। এতো বছরে আমি আমার বিদ্যালয়ে কোন উপজেলা চেয়ারম্যানকে আনতে পারিনি। কিন্তু নাসির উদ্দিন ঝিলু আমাদের কাউকে কিছু না জানিয়েই আমাদের বিদ্যালয়ে হাজির হন। আমাদের সমস্ত বিদ্যালয় ঘুরে দেখেন। কোথাও কোন কিছুর সমস্যা আছে কিনা জানতে চান। সমস্যা ছোট হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহন করেন। শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট তো তার মাথায়ই মানায়।

বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু প্রতিকৃয়া জানতে চাইলে তিনি দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, আসলে আমি সেরা হওয়ার জন্য কখনো কোন কাজ করি না। আমি আমার দায়িত্ব পালনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমি চেয়েছি নবাবগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় হবে মানসম্মত। যেখান থেকে প্রতিটি শিশুর শিক্ষা জীবন শুরু সেই স্থান যদি মানসম্মত না হয় তাহলে অনেক শিশুই তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে অকালেই ঝড়ে যায়। তাই আমি মানসম্মত শিক্ষা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তিনি আরোও বলেন, আজ আমি যে স্বীকৃতি পেয়েছি এই স্বীকৃতি আমাকে সামনে আরো ভালো কিছু করতে উৎসাহিত জোগাবে। আমার এই স্বীকৃতির পিছনে উপজেলা শিক্ষা অফিস, শিক্ষক মন্ডলীদেরও অনেক অবদান রয়েছে। ঝিলু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় ও ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে নবাবগঞ্জের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। আমি আমার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সকলের আন্তরিক সহায়তা কামনা করছি। আমার এই অর্জন সমগ্র নবাবগঞ্জ বাসীর অর্জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *