নাজমুল হোসেন: আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে যেকোন ব্যপারে সরাসরি দেখা করে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করে থাকি। হঠাৎ একদিন একটি কাজের ব্যপারে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানালেন, আমি আমার জনগণের স্বার্থে যে কাজটাই করতে যাই সেখানে দেখি বঙ্গবন্ধু সেই কাজটা হয় শুরু করেছেন আর না হয় সেই কাজটার নীল নকশা বা ফাইন্ডেশন (ভিত্তি) তৈরি করে রেখেছেন। বিষয়টা দেখে আমি পুরোপুরি অবাক হয়ে যাই। আমার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেশের উন্নয়নে নিজেকে কতটা নিয়োজিত রেখে ছিলেন। বুধবার সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মদিন পালন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এম.পি এসব কথা বলেন।
সাংসদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর কিছু স্বার্থন্মাসী মহল বাংলাদেশকে একটি ভিক্ষুকের রাষ্ট্রে পরিণত করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো বাংলাদেশ ভিক্ষা করে দেশ পরিচালিত হবে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর শেখ হাসিনা যেদিন দেশে আসেন সেদিন থেকেই বাংলাদেশ উন্নয়নের স্বপ্ন দেখা শুরু করে। যিনি তার পুরো পরিবারকে হারিয়ে শোক কে শক্তিতে পরিনত করে আজকের এই বাংলাদেশ বির্ণিমানে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে এই পথ এতো সহজ ছিলো না। অনেক চড়াই উত্রাই পার করেই আজকের এই বাংলাশে। এমপি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে আসার পরপরই তিনি বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করতে শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসেন। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পুরো ৫ বছরে বাংলাদেশ নামক ভিক্ষুক রাষ্ট্রকে টেনে তুলার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিন পর ২০০৮ সালে আবারও আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে। আপনারা সকলেই জানেন ২০০১-২০০৮ সাল পর্যন্ত এদেশে কি হয়েছিলো। ২০০৮ সালের পর থেকে আজ অবদি আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বাংলাদেশ উন্নয়নের শিখরে পৌছে গিয়েছে। ফলে বাংলাদেশের প্রশংসা পাকিস্তান এখন নিজেই করছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দিন মনজু অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেণ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু। এসময় দিন ব্যাপী অনুষ্ঠান মালায় অন্যদের মধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজিবুল ইসলাম, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম শেখ পিপিএম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আক্তার, কৃষি কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান, শিক্ষা কর্মকর্তা নূর আলম, উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান ভুইয়া কিসমত, যুগ্ম-আহবায়ক দেওয়ান আওলাদ হোসেন, ড. মো. শাফিল উদ্দিন মিয়া, ইঞ্জি. আরিফুর রহমান শিকদার, জেলা মহিলালীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লাবন্য ভূইয়া, ইউপি চেয়ারম্যান আলিমুর রহমান খান পিয়ারা, দেওয়ান তুহিনুর রহমানসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
